Friday, 8 July 2016

অবসরের কবিতা

                                                                    বিকৃত মস্তিস্ক

বিথফেনের মধুর সুর, কোকিলের ডাক--
শুনতে কি পাও? ওই কারাগারের অন্ধকার কুঠুরিতে?
যেখানে মানুষগুলো প্রত্যহ শেষ নিঃশ্বাস ছাড়ে।
লোহার শিকলে হাত ঘষে লোহা গেছে ক্ষয়ে--
হাত গেছে লোহা হয়ে।
ওই কারাগার, যেখানে কোনদিন সন্ধ্যা নামেনা,
লাল,নিল,সবুজ ফিতের বাঁধন মানুষের শ্বাসরুদ্ধ করে না;
       মানুষের প্রস্রাবের গন্ধ, পচা শব-
যেখানে বিছিয়ে দিএছে ফুলের বাগিচা,
        সেখানে গেলে শুনতে পাবে মুক্তির সুর।
ঘেন্না? হ্যাঁ, ঘেন্না করবে ঘেন্না করতে-
সেই আদিম রিপুর খোঁজ কর কতদিন?
মুক্তি পাবে সেই গলিতে-
         যেখানে সহস্র বেশ্যার হাতছানি-
ক্রমশ মৃদু হয়ে আসা বাল্বের আলয়ে,
প্রতিটি ঘামের বিন্দু-
যেখানে সৃষ্টি করে নুতন ইতিহাস।
সময়ের চাকা যেখানে কোনদিন ঘোরেনি,
          যাবে নাকি সেখানে?

Sunday, 3 July 2016

শ্রীমদ্ভগবদগীতায় বলা আছে "আত্মা অবিনশ্বর, একে সৃষ্টি বা ধংস করা যায় না." আমার মনে হয় প্রকৃত বাস্তব টা অন্য রকম....মৃত্যুই সব কিছুর শেষ...এই যেমন ধরযাক কোন কোন দিন রাত্রে কখন ঘুমিয়ে 
পড়ি টেরই পাই না....তারপর সকালে উঠে ভাবি কখন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম...মৃত্যুও ঠিক এমনই...এমনই একদিন ঘুমিয়ে পড়ব...শুধু সকালে ওঠা হবে না.....আত্মার কথায় যদি আসা যায় তাহলে বলব মৃত্যুর পর আমদের দেহ যখন দাহ করা হয় তখন যে অনুর সমন্নয়ে আমদের দেহ গঠিত যার বেশির ভাগ টাই কার্বণ তা বাতাশে মিশে যায় পুনরায় recycled হবার জন্য, আর আমাদের যত অনুভূতি ভালবাসা প্রেম, সে তো সবই মস্তিষ্কের রাসায়নিক খেলা,হরমোনের ক্রিয়াকলাপ. তাই আমার তো মনে হয় একবারটি মরেছ তো সব শেষ হয়েছে....মুহূর্তকে উপভোগ করাটাই তাই গুরুত্ত্বপূর্ণ...সময়ের খুদ্র পরিসরকেও তাই সমান গুরুত্ত্ব দেওয়া উচিত...আমারা কী কখনো ভাবি একটি পিঁপড়ে যার জীবনকাল ওতি নগণ্য সে কিভাবে দিন কাটায়...বেশী আয়ু হলে তো কচ্ছপ হয়ে যাব...live every seconds of ur life as it is the last second of your life...